Writing

নতুন মা ও ব্যস্ত মায়েদের ইবাদত

সন্তান গর্ভেধারন করা থেকে জন্মদান পর্যন্ত দীর্ঘ সময়ে মেয়েরা অনেক বেশি ক্লান্ত, শ্রান্ত হয়ে পড়ে শারীরিক ও মানসিকভাবে। অনেক নাজুক হয়ে পড়ে ওদের দেহ মন- মানসিকতা। একজন মেয়ে যখন প্রথমবার মা হয়, তখন সে আস্তে আস্তে উপলব্ধি করে তার চারপাশের সবার, সবকিছুর অনেক পরিবর্তন। সে বুঝতে পারে তার দীর্ঘদিনের অভ্যাসগত অনেক কিছুর ও ব্যাপক পরিবর্তন হয়ে গেছে, হয়ে যাচ্ছে।

তার প্রয়োজনীয় ঘুমটা ঠিক মতো হচ্ছে না, বাচ্চা জন্মের আগে ও পরে কতদিন নির্ঘুম রাত কাটাতে হচ্ছে। কতদিন ঠিক মতো খাওয়াটা হচ্ছে না। হয়তো বাচ্চা কান্না করছে; তখন কিন্তু মায়েদের গলা দিয়ে আর খাবার নামতে চায় না। মন থাকে বাচ্চার কাছে, কখন ওর কান্না থামাবে। এছাড়া বাচ্চা প্রতিপালন নিয়ে নানা রকম চিন্তা মাথায় আসে। কিভাবে কি হবে! কিভাবে কি করবে!

এসব নানা রকম মিশ্র অনুভূতিতে কারণে অকারণেই মন বিষন্ন হয়ে পড়ে, কান্না আসে। চারদিকে অনেক মানুষ কিন্তু কেউ যেন নতুন মাকে ঠিক বোঝে না, বুঝতে চায় না। এই পরিস্থিতি কাটিয়ে উঠতে নতুন মায়েদের কিছুটা সময় লাগে। অনেকের অনেক বেশি সময় লাগে কয়েক মাস থেকে বছর। তবে সবার ক্ষেত্রে একই ব্যাপার ঘটে না। অনেকেই খুব সুন্দর ভাবে হ্যান্ডেল করতে পারে। আবার অনেকের সাহায্য করার মানুষ থাকে ওদের সহায়তায় সুন্দর ভাবে সামলে নেয় সবকিছু আলহামদুলিল্লাহ্। তবে সর্বক্ষেত্রেই সর্বোত্তম সাহায্যকারী একমাত্র আল্লাহ্ সুবহানাহু তা’আলা।

তো সে যাই হোক, যারা নিয়মিত ইবাদতে অভ্যস্ত সেই মায়েদের মন সবসময় অস্হির থাকে কবে থেকে সঠিকভাবে মহান আল্লাহর সান্নিধ্যে যেতে পারবেন, ইবাদতে যোগ দিতে পারবেন। কারণ ফরয ইবাদতের অনেক বিরতি পড়ে যায়। খুব আফসোস আর মন খারাপ নিয়ে অনেকে বলেন, “আপু, ছোট বেইবী নিয়ে অনেক কষ্ট হয় সবকিছু সামলাতে। নিজের জন্য কোন সময় থাকে না। মন মেজাজ একদম ভালো থাকে না। একদমই ইবাদত করতে পারি না, এজন্য মন খারাপ লাগে।” ওদের কাউকে আমি ফোনে বলি, কাউকে ম্যাসেজ দেই “এত মন খারাপ আর টেনশনের কিছু নেই আপু! আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা সবকিছু সহজ করে দেবেন ইনশাআল্লাহ্। আল্লাহ্ তো সব দেখছেনই। তিনি তো অন্তর্যামী।”

আর সন্তান গর্ভে ধারণ, জন্মদান প্রতিপালন! সেটা ও তো একটা ইবাদত-ই, সওয়াবের একটা মাধ্যম। একজন আপু বললেন, “কি বলেন আপু! বাচ্চা পালন করা কি নেকীর কাজ!?”
বললাম, অবশ্যই আপু। অবশ্যই নেকীর কাজ। আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা এ কাজের জন্য ও সওয়াব দেবেন। শুধু মনে মনে উনার সন্তুষ্টি অর্জনের আশা করতে হবে।
কারণ

إنَّمَا الْأَعْمَالُ بِالنِّيَّاتِ
“ইন্নামাল আ’মালু বিন্ নিয়্যাতি”-
“নিশ্চয়ই কর্মের ফলাফল নিয়্যাতের উপর নির্ভর করে।”
[সহিহ বুখারী]

ইবাদতের আশায় সাংসারিক ছোটখাটো কাজ করলেও সেটা অবশ্যই রহমানুর রহীম সওয়াবে পরিণত করবেন ইনশাআল্লাহ্।
ইবাদতের বিরতিকালীন সময়গুলোতে তারা সলাত, সিয়াম না পালন করতে পারলেও অনেক ছোট খাটো ইবাদতের মাধ্যমে নিজেদের আমলনামাকে ভারী করতে পারেন।

আর শুধু যে বিরতিকালীন সময়ে এ আমলগুলো করতে পারবেন তা নয়। বরং সন্তান প্রতিপালনের ব্যস্ত সময়গুলোতে ও নিজেকে এসব ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহর সাথে সংযুক্ত থাকতে পারবেন। যেমন: বাচ্চাকে যখন কোলে রাখবেন, খাওয়াবেন, ঘুম পাড়াবেন বা অন্যান্য কাজের মাঝে মাঝে ও এগুলি করা যাবে।

প্রথমে ভেবেছিলাম শুধুমাত্র ছোট বাচ্চার মায়েদের জন্যই লেখাটি লিখবো। পরে চিন্তা করলাম এমনভাবে লিখি যেন কর্মজীবি মায়েরা বা গৃহিণী ব্যস্ত মায়েরা ও এ আমলগুলো করে উপকৃত হতে পারেন।

পাঁচ ওয়াক্ত সলাত/ নামাজ খনোই মিস দেওয়া যাবে না। অনেকে চিন্তা করেন হাতের কাজ শেষ করে সালাত পড়বেন। এমন করা কখনোই ঠিক হবে না। ছোট বাচ্চার মায়েরা অন্তত ফরয নামাজটা হলে ও ওয়াক্ত মতো আদায় করার চেষ্টা করবেন ইনশাআল্লাহ্।

ছোট বাচ্চার মায়েরা অনেকেই কুরআন তিলাওয়াতের সময় পান না। যারা পাবেন অন্তত অল্প কিছু আয়াত হলে ও পড়ার চেষ্টা করবেন। নতুবা যখন বাচ্চাকে খাওয়াবেন সে সময় তো বসেই থাকবেন। তখন তিলাওয়াত শুনতে পারেন। উপকৃত হবেন, মন ও ভালো হবে ইনশাআল্লাহ্। আর বাচ্চারা যেহেতু গর্ভে থাকা অবস্থাতেই শুনতে পারে তো এক্ষেত্রে মায়েরা কুরআন তিলাওয়াত শুনলে বাচ্চাদের উপর ও প্রভাব পড়বে আশা করা যায়।

কুরআন তিলাওয়াত শোনাটা শুধু বাচ্চাদের খাওয়ানোর সময় নয় ঘুম পাড়ানোর সময় বা মা ঘরের অন্যান্য কাজ করার সময় ও করতে পারেন। আর অন্যান্য মায়েরা ও এমন গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত কখনোই মিস করবেন না ইনশাআল্লাহ্।

যিকির হচ্ছে সবচেয়ে সহজ, কষ্টহীন ইবাদত অথচ সবচেয়ে বেশি ফযিলতপূর্ণ আর আল্লাহর নিকট সর্বোত্তম একটি ইবাদত। কুরআন তিলাওয়াত শোনার জন্য যে সময়গুলো লিখেছি সে সময়গুলোতে বা নিজের সুযোগ মতো অন্যান্য সময়ে ও যিকির করা যায়। কুরআনে বারবার যে আমলটির কথা বলা হয়েছে সেটা হচ্ছে যিকির। যিকির করতে ওযু করার ও প্রয়োজন হয় না।

“আর আল্লাহকে অধিক পরিমাণে স্মরণকারী পুরুষ ও নারী: আল্লাহ তাদের জন্য ক্ষমা ও বিরাট পুরস্কার প্রস্তুত করে রেখেছেন।"
[সূরাহ আল-আহযাব:৪১

যিকির করলে কিন্তু মনের অস্থিরতা ও অনেকখানি কমে যাবে ইনশাআল্লাহ্। কারণ আল্লাহই তো বলেছেন,

“যারা বিশ্বাস স্থাপন করে এবং তাদের অন্তর আল্লাহর যিকির দ্বারা শান্তি লাভ করে; জেনে রাখ, আল্লাহর যিকির দ্বারাই অন্তর সমূহ শান্তি পায়।”
[সূরাহ আর- রাদ:২৮]

বিভিন্ন প্রকার যিকির আছে, যেগুলোর একেকটির আছে অপরিসীম ফযিলত।
ইস্তিগফার করাকে আমাদের সবার জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রাত্যহিক কাজ হিসেবে নিতে হবে। কারণ ছোট হোক, বড় হোক আমাদের দ্বারা গুনাহ হয়েই যায়। প্রতিনয়ত ইস্তিগফার করা আমাদের গুনাহ মাফের উছিলা হতে পারে ইনশাআল্লাহ। জান্নাতের সুসংবাদ প্রাপ্ত রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রতিদিন একশো’বার / সত্তরবার ইস্তিগফার করতেন। আমাদের মতো গুনাহগারদের জন্য তো সেটা আরও বেশি প্রয়োজন।

একসাথে একশো’বার পড়ার সময় বা সুযোগ না হলে একটি উপায় বের করে নিতে পারেন। প্রতি ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পর বিশবার করে পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলবেন ইনশাআল্লাহ। ব্যস একদিনে একশো’বার পড়া হয়ে যাবে।
ইস্তিগফার কিন্তু গুনাহ মাফের পাশাপাশি বিপদ থেকে উদ্ধার পাওয়া ও উত্তম রিযিকের মাধ্যম ও।

আযানের উত্তর দেওয়া ও আযান পরবর্তী দরূদ ও দু’আ পড়ার চেষ্টা করবেন। আযানের উত্তর দেওয়া ও দরূদ পড়া অনেক ফযিলতপূর্ণ একটি আমল

যারা এ আমলটি করেন রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের জন্য সুপারিশ করবেন ইনশাআল্লাহ্। রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,

“যে ব্যক্তি আযানের পর দু’আ পড়বে তার জন্য সুপারিশ করা আমার জন্য অনিবার্য হয়ে যাবে।”
[সহিহ্ মুসলিম]

অথচ এ আমলে ও কোন কষ্ট নেই, লাগে না তেমন সময় ও।

যেকোন কাজের শুরুতে বিসমিল্লাহ্ বলে শুরু করবেন। বিসমিল্লাহ্ বলে কোন কাজ শুরু করার অর্থ এই কথা মেনে নেওয়া যে আল্লাহ ক্ষমতা না দিলে আমি কাজটি করতে পারতাম না। অর্থ্যাৎ আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলা যে অসীম ক্ষমতাবান তা স্বীকার করে নেওয়া। মহান রব্বুল আলামিনকে খুশি করার জন্যই বিসমিল্লাহ্ বলে কাজ শুরু করতে হবে। বিসমিল্লাহ্ বলে কাজ শুরু করলে আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা সাহায্য করেন, কাজে ধৈর্য্য বেড়ে যায়, কাজে সফলতা আসে।

সবসময় আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে আলহামদুলিল্লাহ্ বলার অভ্যাস করতে হবে আমাদেরকে। এটি একটি উত্তম যিকির, সর্বশ্রেষ্ঠ দুআ ও। হযরত ইবনে আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত, রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “কিয়ামতের দিন ঐ সমস্ত লোকদের সর্বপ্রথম জান্নাতে নেয়া হবে যারা দুনিয়াতে স্বচ্ছলতা, অস্বচ্ছলতায়, সুখে দুঃখে সর্বাবস্থায় আল্লাহ্ তা’আলার প্রশংসা করতো।”

কখনো অসুস্থতায় বা বিভিন্ন কারণে মনমানসিকতা খারাপ থাকলে আলহামদুলিল্লাহ্ না বলতে পারলে বলবেন,” আলহামদুলিল্লাহ্ আলা কুল্লি হাল।”

তিনবার সূরা ইখলাস পাঠ করলে সম্পূর্ণ কুরআন তিলাওয়াত করার সওয়াব পাওয়া যায়। তাই এ সুঅভ্যাসটি প্রতি দিনের রুটিনে এড করে নেওয়া যায়।

দশবার সূরাহ ইখলাস পাঠ করলে জান্নাতে একটি ঘর তৈরি হবে আপনার জন্য! সুবহান আল্লাহ্!

সব কাজের ক্ষেত্রে সুন্নাহ্ মেনে চলার চেষ্টা করতে পারেন। যেমন: খাওয়ার আগে- পরের দু’আ, ঘুমানোর আগে-পরের দু’আ এধরনের বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিভিন্ন দু’আ পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলা যায়।

দু’আ কবুলের বিভিন্ন সময় আছে। সে সময়গুলোতে নিজের জন্য, বাচ্চাদের জন্য বিভিন্ন দু’আ করতে পারেন। এছাড়া অন্যান্য সময় ও বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য বা অন্যদের জন্য ও দু’আ করতে পারেন। দু’আ কিন্তু তাক্বদীর বা ভাগ্য ও পরিবর্তন করতে পারে।
রসূলুল্লাহ সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,

দুআ ব্যতীত কোন কিছুই ভাগ্যকে পরিবর্তন করতে পারে না।”
[সহিহ্ মুসলিম]

এ দু’আ কিন্তু একটি ইবাদত ও মুমিনদের অত্যন্ত শক্তিশালী একটি অস্ত্র। তাই যখনই সময় পান নিজের জন্য, ফ্যামিলির জন্য, সমগ্র মুসলিম উম্মাহর জন্য দু’আ করবেন ইনশাআল্লাহ্।

রাতে ঘুমানোর আগে সূরাহ আল- বাক্বারার শেষ দুই আয়াত অবশ্যই পড়ে ঘুমাতে যাবেন। ছোট বাচ্চার মায়েরা না পড়তে পারলে ও মোবাইলে শুনে নেবেন। কারণ রাতে ঘুমানোর আগে এ সূরাহর শেষ দুই আয়াত পড়লে সেটা আপনার জন্য যথেষ্ট হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ্।

তেমনি ভাবে রাতে ঘুমানোর আগে সূরাহ আল- মূল্ক পড়ার অভ্যাস করতে পারেন। সম্ভব না হলে অন্তত তিলাওয়াত মোবাইলে শুনে নেবেন। অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এ সূরাহটি কবরের আযাব থেকে রক্ষাকারী ঢাল হিসেবে কাজ করবে ইনশাআল্লাহ্।

অন্যান্য মায়েরা প্রতিদিন অল্প হলে ও দরুদ পড়ার চেষ্টা করবেন। তবে শুক্রবারে বেশি পড়ার চেষ্টা করবেন। কাজ করার ফাঁকে ফাঁকে পড়তে থাকবেন। কোন বাড়তি সময়ের প্রয়োজন হবে না। রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
“তোমাদের দিনগুলির মধ্যে সর্বোত্তম দিন হলো জুম’আর দিন। কাজেই সেই দিনে তোমরা আমার উপর বেশি বেশি দরূদ পাঠ করো। কেননা তোমাদের দরূদ আমার উপর পেশ করা হয়।”
[আহমাদ: ৫/৬৭৭; তিরমিযি:১৩৯]

আর প্রতি শুক্রবার পুরোটা সম্ভব না হলে ও সূরাহ আল- কাহফের অন্তত প্রথম দশ আয়াত পড়ার চেষ্টা করবেন ইনশাআল্লাহ। পুরোটা পড়ার ইচ্ছে আছে কিন্তু সম্ভব হচ্ছে না, এমন পরিস্থিতিতে তিলাওয়াত চালিয়ে শুনতে পারেন। কারণ এ সূরাহ আমাদেরকে ‘দাজ্জালের ফিতনা থেকে রক্ষা করবে ইনশাআল্লাহ্।’

এভাবে হবু মা, নতুন মা ও ব্যস্ত মায়েরা তাদের মূল্যবান সময়গুলোকে আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা’আলার ইচ্ছায় উনার একান্ত সান্নিধ্যে নিয়ে যেতে পারেন। করে নিতে পারেন আখিরাতের চিরস্থায়ী, অমূল্য পাথেয়।

তবে এজন্য প্রয়োজন নিজের ঐকান্তিক চেষ্টা ও ইচ্ছাশক্তি। সবসময় একটা কথাই মনে গেঁথে নিতে হবে আল্লাহ্ সুবহানাহু তা’আলা তাঁর প্রিয় বান্দাদের অনেক বেশি ভালবাসেন। তিনি কখনোই কোন বান্দার উপর তার সাধ্যের অতিরিক্ত বোঝা চাপিয়ে দেন না।

[আবু দাউদ]
[আল-হাকিম: ২/৩৯৯, আল-বায়হাকী: ৩/২৪৯]

লিখেছেন

ইসমত আরা

ইসমত আরা

লেখালেখি আমার একটি পছন্দের জায়গা, আবেগের জায়গা। মূলত আল্লাহ্ সুবহানাহু ওয়া তা'আলার সন্তুষ্টি ও সাদাকায়ে জারিয়ার জন্যই লেখালেখি করি। তবে কখনো নিজের শখ হিসেবে, থেরাপি হিসেবে ও লিখি। ইসলামের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লিখা আমার মেইন ফোকাস।

লেখকের অন্যান্য সকল পোষ্ট পেতে ঘুরে আসুন
Show More

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Islami Lecture