Writing

ইস্তেগফার

ইস্তেগফার……..
আপনি কি এমন ব্যক্তি হতে চান??
যে ব্যক্তি কোনো দোয়া করার সাথে সাথেই কবুল হয়ে যায়।
তাহলে উঠতে বসতে চলতে ফিরতে সবসময় পড়ুন ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’

তবে আপনি আসলে কি পড়তেছেন তার অর্থ বুঝে পড়বেন। অর্থ না জানলে আপনি কিভাবে বুজবেন আপনি কোন বিষয়টা আল্লাহর কাছে তুলে ধরলেন। তাই যা পড়েন তার অর্থ জানা আবশ্যক।
‘আস্তাগফিরুল্লাহ’ অর্থ আল্লাহ আমাকে তুমি ক্ষমা করো।

শয়তান আমাদেরকে সবসময় বলে,,
_ হে মানুষ
_ তুই নামায রোযা হজ্জ্ব যাকাত সব কর। যত পারোস তাসবীহ পড়। কিন্তু প্লিজ তুই ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’ এই তাসবীহ টা কখনই পড়িস না।
এর কারন কি জানেন??

কারন ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’ এর আরেকটা ব্যাখ্যা হলো এটা একটা ‘রাবার’, যাকে বলে ‘লিখা মুছার ডাস্টার’
আমরা যতবার ‘আস্তাগফিরুল্লাহ‘ পড়ব ততবারই আমাদের পাপের খাতা থেকে একটা পাপ মুছে ফেলা হবে।
তাহলে আমরা যদি প্রতিদিন এক হাজার বার ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’ পড়ি তাহলে আমাদের এক হাজার টা পাপ মুছে ফেলা হবে। এভাবে প্রতিনিয়ত ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’ পরতে থাকলে কিছুদিনের মধ্যেই আমরা সম্পুর্ণ নিষ্পাপ হয়ে যাব।

একটা সময়ে এসে ফেরেশতারা আল্লাহকে বলবে হে আল্লাহ_
তুমার এই বান্দা এতবারই ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’ পাঠ করেছে যে,,এখন আর কোনো পাপই লেখা নেই খাতায়। সব পাপ মুছে ফেলা হয়ে গেছে। কিন্তু বান্দা এখনও ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’ পড়তেই আছে। এখন তাহলে কি করব আমরা।

তখন আল্লাহ বলবেন
খাতার মধ্যে প্রতিটা লিখার যে দাগ গুলা রয়ে গেছে সেগুলা মুছে দাও।
আরেকটা সময়ে ফেরেশতারা আবার বলবে হে আল্লাহ_ দাগ মুছাও শেষ। এখন কি করব।

আল্লাহ তখন বলবেন,, এবার তাহলে একটা ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’ এর পরিবর্তে একটা সওয়াব তার আমলনামায় লিখে রাখো।সুবহানআল্লাহ,,,
এবার নিশ্চই বুজতে পেরেছেন এই ‘আস্তাগফিরুল্লাহ’ এর ক্ষমতা কতটুকু,, শয়তান যা কিছুতেই মেনে নিতে পারেনা।
তবে শর্ত আছে,
পুনরায় আর কখনও ঐসব পাপ করা যাবেনা,, যা আপনি তওবা করে ছেড়ে দিয়েছেন। আপনি বারবার ক্ষমা চাইবেন আবার বারবারই পাপ করবেন এটা আল্লাহ একছেপ্ট করবেনা।

আল্লাহর সাথে ফাজলামি চলেনা। তাই যদি পরিপুর্ন ভাবে তওবা করতে পারেন তাহলেই আপনার সব দোয়া কবুল হবে।
এর আগে আপনার দোয়া কবুল হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।
শুধুমাত্র বাথরুম বাদে বাকি সবসময় আপনি এই তাসবীহ টি যিকির করবেন। যখনি মনে পড়বে তখনি পড়বেন।
সবরকম হারাম কাজ থেকে নিজেকে বাচিয়ে রাখবেন। তাহলেই আপনি ‘মুস্তাযাবুদ দাওয়া’ (যার দুয়া করতে দেরি, কবুল হতে দেরি না) হতে পারবেন

ইনশা_আল্লা_হ।
আল্লাহ তা’য়ালা আমাদের সবাইকে সব সময় জবান কে ইস্তেগফারের সাথে লেগে থাকার তৌফিক দিন।

Show More

Related Articles

Leave a Reply, if you have comments about this post.

Back to top button